বুধবার , ৪ মার্চ ২০২৬ | ২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আশাশুনি
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কলারোয়া
  6. কালিগঞ্জ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পাটকেলঘাটা
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন।

মোবাইল কোর্টের মাছ নিধনের বদলে বিক্রি

প্রতিবেদক
Ekramul Kabir
মার্চ ৪, ২০২৬ ২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রশাসনের ‘দফা-রফায়’ ১২০ মণ নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ পাচারের এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ১ ট্রাক ভর্তি নিষিদ্ধ মাছসহ এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীকে আটকের পর নামমাত্র জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জব্দ করা মাছগুলো নিধনের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সেগুলো নিধনের বদলে বাজারে বিক্রির সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত সোমবার (২ মার্চ) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কলারোয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান রেজার নেতৃত্বে একটি দল কলারোয়া পৌর সদরের তুলশীডাঙ্গা ডায়াবেটিক হাসপাতালের সামনে অভিযান চালায়। অভিযানে যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়ক থেকে ১২০ মণ আফ্রিকান মাগুরসহ একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। আটক করা হয় অসাধু মাছ ব্যবসায়ী ও হেলাতলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলামকে (মাগুর আনার)। এদিকে, আটকের পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ও মাছ ভর্তি ট্রাকটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে নিয়ে আসা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেবুন নাহার তার কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অভিযুক্তকে মাত্র ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আদালত থেকে মাছগুলো তাৎক্ষণিক নিধনের মৌখিক নির্দেশ দেওয়া হলেও বাস্তবে প্রতিফলন ঘটেনি।

অভিযোগ উঠেছে, প্রায় ১০ লাখ টাকা বাজার মূল্যের এই মাছগুলো কতিপয় অসাধু ব্যক্তির মধ্যস্থতায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে দফারফা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে ওই মাছগুলো ঢাকাতে চড়া দামে বিক্রি করা হয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। এই নজিরবিহীন ঘটনায় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে একে অপরকে দোষারোপের প্রবণতা দেখা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেবুন নাহার বলেন, আমি মাছ নিধনের আদেশ দিয়ে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছিলাম (মামলা নং ১-২০২৬)। মাছ কোথায় বা কীভাবে নষ্ট করা হয়েছে তা আমি জানি না। তবে সাংবাদিকদের কাছে তিনি মাছ নিধনের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সাঈদুর রহমান রেজা বলেন, আমার কাজ ছিল অপরাধীকে হাজির করা, আমি তা করেছি। মাছ জব্দ, অভিযুক্তকে শাস্তি ও মাছ ছেড়ে দেওয়ার এখতিয়ার আমার না, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের।

বিষয়টি নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি জানান, মাছ ও পরিবহন জব্দ করার পর তা ছেড়ে দেওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি। এই ঘটনার দায় সংশ্লিষ্ট বিচারকের ওপর বর্তায়। আমরা পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখব।

স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত আনোয়ারুল ইসলাম এর আগেও দুইবার নিষিদ্ধ মাগুরসহ ধরা পড়ে মুচলেকা দিয়েছিলেন। বারবার ছাড় পেয়ে যাওয়ায় তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। নিষিদ্ধ এই মাছগুলো মানব শরীর, পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ হওয়া সত্ত্বেও খোদ প্রশাসনের এমন রহস্যজনক ভূমিকা কলারোয়ায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

চেয়ারম্যান  আব্দুল আলীমকে বিএনপির দলীয় মনোনয়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় বিশাল বিক্ষোভ মিছিল

হাদির স্ত্রীর আবেগঘন বার্তা ইনকিলাব মঞ্চের ভবিষ্যত নিয়ে

কালিগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক-নির্বাচনী টহল পরিচালনা

শ্যামনগরে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ফেইথ ইন এ্যাকশনের কমিউনিটি উদযাপন

শ্যামনগরে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ফেইথ ইন এ্যাকশনের কমিউনিটি উদযাপন

সাতক্ষীরা-২আসনে ধানের শীষ বিজয়ী হলে হিন্দু সম্প্রদায় আর অবহেলিত থাকবে না-ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের জন্ম মহোৎসবে আলহাজ্ব আব্দুর রউফ

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের মাথা ফাটালো যুবদলের নেতাকর্মীরা

ঈদুল আজহা কবে জানাল আমিরাত

সুন্দরবনের বন্য শুকুর লোকালয়ে উদ্ধারের পর বনে অবমুক্ত

সাতক্ষীরায় ৭ হাজার লিটার পেট্রোলসহ তেলবাহী লরি আটক

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেব, দলীয় পরিচয় দেখব না : প্রধানমন্ত্রী