শাহ জাহান আলী মিটন :: যুব নেতত্বে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির জন্য ধর্মীয় নেতা ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সাথে প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (০৪ এপ্রিল) সকাল ১০ টায় চালতেতলা মিশন (ক্যাথলিক চার্চ) হলরুমে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা সিডো বাস্তবায়নে এবং একশনএইড বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় এরফরটি প্রকল্পের আওতায় যুব নেতত্বে স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির জন্য ধর্মীয় নেতা ও অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সাথে প্রচারাভিযান অনুষ্ঠিত হয়।
সিডো সংস্থার প্রধান নির্বাহী শ্যামল কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন , জাতীয় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাতক্ষীরা জেলা মাওলানা শেখ মাহববুর রহমান, সাহাপাড়া কালিমাতা মন্দিরের পুরোহিত তৃপ্তি রঞ্জন চক্রবর্তী, সিএসসি পালক পুরোহিত খ্রীষ্টরাজ ধর্মপল্লী সাতক্ষীরার ফাদার ডমিনিক সরকার, পুলিশ পরিদর্শক আইসি পুলিশ ফাঁড়ী সাতক্ষীরা মো: রেজাউল করিম, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শফিকউদ-দৌলা সাগর, জেন্ডার ডেভেলপমেন্ট ফোরাম সভানেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, চালতেতলা জামে মসজিদের খতিব আবু তালেব, বায়তুল আমান জামে মসজিদের সহ-সভাপতি ডা: আব্দুল গফ্ফার সহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডারবৃন্দ ও যুব সদস্যবৃন্দ।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন প্রান্তিক যুব সংঘের সভাপতি হৃদয় মন্ডল, সদস্য ইমতি জামিল, সাদিয়া আফরিন, বেতনা যুব সংঘের সভাপতি মাসুদ রানা, সেক্রেটারী সাকিব হাসান, সবুজ পৃথিবী যুব সংঘের সভাপতি শিহাব সিদ্দিকী, সাতক্ষীরা ইয়ূথ হাবের সভাপতি রিপন হোসেন।
আন্ত:সম্প্রদায় ও আন্ত:প্রজন্ম সমন্বয় একটি উপায় যা সব বয়সের মানুষ একসাথে এবং একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারে এটি আজীবন শেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে জ্ঞানের স্থানান্তর দক্ষতা, মূল্যেবোধ এবং জ্ঞান অর্জনের জন্য একসাথে কাজ করে। বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে পার বার্ধক্য সমাজে আমাদের মূলধন, সামাজিক সংহতি আন্ত:সম্প্রদায় ও আন্ত: প্রজন্মীয় পারস্পারিকভাবে সকলের একত্রিত করে, যা বৃহত্তর উৎসাহ দেয় প্রজম্মের মধ্যে বোঝাপড়া, সম্মান ও সংহতি তৈরীতে অবদান রাখে। পারস্পারিক শিক্ষার সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং সামাজিক বিকাশে সহায়তা করে। বার্ধক্য সমাজে আমাদের মূলধন, সামাজিক সংহতি আন্ত:সম্প্রদায় ও আন্ত: প্রজন্মীয় পারস্পারিকভাবে সকলের একত্রিত করে, যা বৃহত্তর উৎসাহ দেয় প্রজম্মের মধ্যে বোঝাপড়া, সম্মান ও সংহতি তৈরীতে অবদান রাখে।
এডভোকেসির উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় নেতাদের সাথে আর্ন্ত:সম্প্রদায় এবং আর্ন্ত: প্রজন্মীয় প্রচারণা শুরু করে সমাজকে আর ও সহনীয় করে তোলা। কমিউনিটিতে সামাজিক সম্প্রীতির ক্ষতি করে এমন মূল সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা। সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় ও সংহতি বৃদ্ধির জন্য ধর্মীয় নেতা ও বিভিন্ন প্লাটফর্মের মাধ্যমে চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানের উদ্যোগ গ্রহন করা। ধর্মীয় নেতাদের সাথে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে যুবকদের অংশগ্রহনের সুযোগ সৃষ্টি করা যুবদের প্রত্যাশা ও প্রস্তাবনা ছিল বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে ধর্মীয় নেতা ও তরূনদের অংশগ্রহনের মাধ্যমে যুব এবং ধর্মীয় নেতাদের মধ্যে একটি ভাল সংযোগ তৈরী করা। স্থানীয় শান্তি-সম্প্রীতি কমিটিতে যুবদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা। সমাজে শান্তি-ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে যুব সমাজকে আর ও সক্রিয় ভুমিকা পালন করতে উৎসাহিত করা। আন্ত:প্রজন্ম সংহতি প্রচারণা আন্ত:সম্প্রদায়ের মাধ্যমে পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি করা।
আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ধর্মীয় নেতারা সামাজিক সংহতি বিষয়ে কিভাবে ভুমিকা রাখতে পারবে? সমাজে শান্তি সম্প্রীতি রক্ষায় যুবদের কি ভুমিকা থাকা দরকার? সকল ধর্মের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে কিভাবে এক প্লাটফর্ম তৈরী করা যেতে পারে? শান্তির বার্তা প্রচারের জন্য ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে কোন মাধ্যম ব্যবহার করতে পারি? সামাজিক শান্তি সম্প্রীতি বিষয়ে যুবদের কিভাবে কাজে লাগানো যাবে? উপরোক্ত বিষয়াবলির উপর ধর্মীয় নেতারা সামাজিক সংহতি বৃদ্ধির জন্য পরামর্শ প্রদান করেন এবং যুবদের নিয়ে একসাথে কাজ করার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প সমন্বয়কারী, মো: তহিদুজ্জামান তহিদ, প্রোগ্রাম অফিসার, চন্দ্রশেখর হালদার, ফাইন্যান্স অফিসার চন্দন কুমার বৈদ্য।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাকিব হোসেন।

















