পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি :: কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ড.আসাদুজ্জামান রিপন বলেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বজায় রেখে আমরা সবাই মিলে দেশটাকে গড়বো। সকল ধর্মের এবং সকল মতের প্রতি বিএনপি শ্রদ্ধাশীল থাকবে। দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দিয়ে বাংলাদেশ কে পৃথিবীতে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে এবং হ্যাঁ ভোট দিতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
তিনি আরো বলেন গণতন্ত্রের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে নির্বাচন। অথচ বিগত ১৭ বছর দেশের মানুষ কোন ভোট দিতে পারেনি। স্বৈরাচার সরকার মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। অনেক লড়াই সংগ্রাম এবং ত্যাগের বিনিময়ে আমরা ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছি। আসাদুজ্জামান রিপন বলেন এই নির্বাচন জাতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ভবিষ্যতে গণতন্ত্রের পথে হাঁটবে কিনা, উন্নয়নের পথে থাকবে কিনা সেটা নির্ভর করছে এই নির্বাচনের উপর। যদি কোন ধর্মান্ধ গোষ্ঠী শাসন ক্ষমতায় আসে তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ পশ্চিমা শক্তি এই দেশটাকে হামাস গাঁজার মতো পরিস্থিতি করে ফেলতে পারে এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় এই নেতা বলেন স্বৈরাচার এবং গণতন্ত্র হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশ কেমন হবে তা এই নির্বাচন নির্ধারণ করবে।
তিনি ৮ ফেব্রুয়ারী রোববার বিকালে খুলনার পাইকগাছা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল মাঠে ধানের শীষ প্রতীকের ঐতিহাসিক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ ও সদস্য সচিব ও সাবেক প্যানেল এসএম ইমদাদুল হক এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় খুলনা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন অবহেলিত এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। আমি নির্বাচিত হলে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুপেয় পানির সমস্যা নিরসন, চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত সহ সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব উন্নয়ন করবো। দলীয় কোন নেতাকর্মী দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হবে না। সকল মানুষ নিরাপদে বসবাস করবে। জনসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এসএম শামীম কবির, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম এনামুল হক, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আসলাম পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক কামাল আহমেদ সেলিম নেওয়াজ, জেলা নেতা শাহদাৎ হোসেন ডাবলু, শামসুল আলম পিন্টু, জিএম আব্দুস সাত্তার, শেখ ইমাদুল ইসলাম, নাদিউজ্জামান জনি, আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি, বিএনপি নেতা তৌহিদুজ্জামান মুকুল, আবুল হোসেন, কাজী সাজ্জাদ আহমেদ মানিক, শেখ বেনজির আহমেদ লাল, তুষার কান্তি মন্ডল, সরদার ফারুক আহমেদ, আবু তালেব, এডভোকেট একরামুল হক বিশ্বাস, সেলিম রেজা লাকি, মোস্তফা মোড়ল,সাংবাদিক ও ব্যবসায়ীক নেতা আমিনুল ইসলাম বজলু, এসএম মোহর আলী, মেছের আলী সানা, ইমরান সরদার, যজ্ঞেশ্বর সানা কার্ত্তিক, প্রভাষক সুজিত কুমার মন্ডল, লক্ষী রাণী গোলদার, বাসন্তী মন্ডল ও এডভোকেট রাশনা শারমিন আঁখি, আবুল কাশেম, স্বরজিৎ ঘোষ দেবেন, সাদ্দাম হোসেন, জিএম রুস্তম আলী, আনারুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় হাজার হাজার নারী পুরুষ অংশ গ্রহণ করে।

















