শুক্রবার , ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আশাশুনি
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কলারোয়া
  6. কালিগঞ্জ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পাটকেলঘাটা
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের উপস্থাপনায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

প্রতিবেদক
Ekramul Kabir
জানুয়ারি ২৩, ২০২৬ ২:৪৯ অপরাহ্ণ

সময় ডেস্ক ::বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গাম্বিয়া বনাম মিয়ানমার মামলায় রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে মিয়ানমারের সাম্প্রতিক উপস্থাপনাকে ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

বিবৃতিতে জানানো হয়, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে উল্লেখ করে তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ও নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে চিত্রিত করার চেষ্টা করছে। এর মাধ্যমে ২০১৬-১৭ সালের ভয়াবহ ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন’-এর দায় এড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গারা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আরাকানে বসবাসরত একটি স্বতন্ত্র জাতিগোষ্ঠী। ‘রোহাং’ বা ‘রোশাং’ নাম থেকে ‘রোহিঙ্গা’ নামের উৎপত্তি, যা পরবর্তীতে আত্মপরিচয়ের অংশ হয়ে ওঠে। তাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি, ভাষা ও সামাজিক রীতিনীতি রাখাইনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত এবং স্বাধীনতা-পূর্ব বার্মার রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোতে তাদের উপস্থিতি সুস্পষ্ট। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামো থেকে বাদ দেয়। এরপর ধাপে ধাপে তাদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয় এবং ২০১৫ সালের নির্বাচনে তারা সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হয়। শেষ পর্যন্ত ২০১৬-১৭ সালে রাখাইন থেকে বিতাড়িত করে রাষ্ট্রহীন করে তোলা হয়।

বাংলাদেশ সরকার জানায়, রোহিঙ্গা ভাষা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্য থাকলেও এটি বাংলা থেকে স্বতন্ত্র। তাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে চিহ্নিত করা আত্মপরিচয়ের অস্বীকৃতি এবং জাতিগত নির্মূলের অংশ।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৮ সালের দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন চুক্তিতে রোহিঙ্গাদের ‘আইনসম্মত বাসিন্দা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাদের সমান অধিকারসহ সমাজে অন্তর্ভুক্তির নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল। তবে গত আট বছর ধরে মিয়ানমার রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ২০১৭-১৮ সালের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সত্ত্বেও নানা অজুহাতে প্রত্যাবাসন বিলম্বিত করছে। এই প্রবণতা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যের প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

বাংলাদেশ সরকার ২০২৩ সালের ৬ জুলাই মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর এক কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে দেওয়া দাবিরও প্রতিবাদ জানায়। মিয়ানমার দাবি করেছিল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ‘অর্ধ-মিলিয়ন বাঙালি’ রাখাইনে আশ্রয় নিয়েছিল। বাংলাদেশ জানায়, ১৯৭১ সালে রাখাইনের জনসংখ্যা ছিল ১.৭ মিলিয়নের নিচে। এত বড় শরণার্থী ঢল হলে তা আন্তর্জাতিকভাবে নজরে আসত। পরবর্তী আদমশুমারিতে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এছাড়া বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমার ও রাখাইনের দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন রোহিঙ্গাদের রাষ্ট্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করে তাদের পুনর্বাসনের পরিবেশ তৈরি করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত না করে প্রকৃত সমাধানের পথে এগোনোর আহ্বান জানানো হয়।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

ঝাউডাঙ্গার তুজুলপুরে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

সাতক্ষীরায় মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ইফতার মাহফিল

ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত

সাতক্ষীরা সদরে স্থানীয় সরকারের বাজেট অগ্রগতি বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

তালার তেঁতুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবেক এমপি হাবিব

রমজানে অনন্য নজির: একদিনে ৯ লাখের বেশি মুসল্লির ওমরাহ আদায়

দেবহাটায় ছাত্রশিবিরের ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

দিল্লি বিস্ফোরণকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বললো ভারত সরকার

সুন্দরবনে বনদস্যুর গুলিতে কাঁকড়া আহরণকারী আহত

জামায়াত আমিরের অ্যাকাউন্ট হ্যাক, বঙ্গভবন কর্মকর্তা আটক