মঙ্গলবার , ২ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আশাশুনি
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কলারোয়া
  6. কালিগঞ্জ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পাটকেলঘাটা
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন।

জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর আফগানিস্তানে

প্রতিবেদক
Ekramul Kabir
ডিসেম্বর ২, ২০২৫ ২:৫৪ অপরাহ্ণ

 ডেস্ক নিউজ : আফগানিস্তানে একটি জনাকীর্ণ স্টেডিয়ামে জনসমক্ষে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে তালেবানরা। তার অপরাধ, সে বন্দুক হামলায় ১০ জনকে হত্যা করেছে।

দেশটির সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে জানায়, মাঙ্গল নামে ওই ব্যক্তিকে পূর্ব আফগানিস্তানের খোস্টে বিপুল জনসমাগমের সামনে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

এএফপির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে এটি ছিল ১২তম জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড। সুপ্রিম কোর্টের দাবি, মামলাটি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এবং একাধিকবার পর্যালোচনা করার পর তাকে কিসাস বা প্রতিহিংসামূলক শাস্তি দেয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং মীমাংসার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা তা প্রত্যাখ্যান করে।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত সরকারি নোটিশে সাধারণ মানুষকে এই মৃত্যুদণ্ড প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানানো হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, মাঙ্গল ছিল ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে একটি বাড়িতে হামলা চালানো একদল আক্রমণকারীর অন্যতম সদস্য। ওই ঘটনায় তিন নারীসহ ১০ জন নিহত হন। জাতিসংঘের আফগানিস্তান মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক রিচার্ড বেনেট মঙ্গলবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগেই বলেন, এ ধরনের শাস্তি অমানবিক, নিষ্ঠুর এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি। তিনি এক্সে লিখেছেন, এগুলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

গত অক্টোবরে বাডগিস প্রদেশের রাজধানী কালা-ই-নাও-এর স্টেডিয়ামে জনসমক্ষে একইভাবে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল এক ব্যক্তিকে। সে এক ব্যক্তি ও তার আট মাসের গর্ভবতী স্ত্রীকে হত্যা করেছিল। তখনও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যই তাকে গুলি করে হত্যা করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাজারো মানুষ এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করে। তিনটি আদালতের রায় এবং তালেবান সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার অনুমোদনের পর শাস্তি কার্যকর করা হয়।

এপ্রিল মাসে তিনটি ভিন্ন প্রদেশের স্টেডিয়ামে একই দিনে চারজনকে জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। বাডগিসে দুই ব্যক্তিকে ভুক্তভোগীর পরিবারের এক পুরুষ আত্মীয় ছয়-সাত রাউন্ড গুলি করে হত্যা করে। নিমরোজের জারাঞ্জ এবং পশ্চিম ফারাহ প্রদেশেও একজন করে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। কেউ কেউ মৃত্যুদণ্ড সমর্থন করে বলেন, এটি ইসলামি আমিরাতের শক্তি ও নীতি প্রদর্শন করে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তালেবানকে জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ডের নীতি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে একে মানব মর্যাদার প্রতি চরম অবমাননা বলে আখ্যা দিয়েছে। তালেবান চুরি, ব্যভিচার, মদপানসহ বহু অপরাধে এখনও বেত্রাঘাতসহ শারীরিক শাস্তি দেয়। সমস্ত মৃত্যুদণ্ডের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন তালেবানের রহস্যময় সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। তিনি বর্তমানে কান্দাহারে অবস্থান করছেন। সোভিয়েত সেনা প্রত্যাহারের পর ১৯৮৯ সালের গৃহযুদ্ধের বিশৃঙ্খলা থেকে উদ্ভূত তালেবান মতাদর্শের মূল ভিত্তিই হলো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা- যা এখনো তাদের কঠোর নীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়ে গেছে।

সর্বশেষ - খেলাধুলা

আপনার জন্য নির্বাচিত

১৭ মাসে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথ দুর্ঘটনায় ১৩ হাজার ৪০৯ জন নিহত

কয়রায় রাকসুর জিএস আম্মারের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবিতে বিক্ষােভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা সভা

ফিংড়ীতে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি স্মৃতি ৮ দলীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

আশাশুনির কুল্যায় সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে কাজী আলাউদ্দীনের নির্বাচনী সমাবেশ

কর্মবিরতিতে সাতক্ষীরার চারটি সরকারি স্কুলে দ্বিতীয় দিনেও বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি শিক্ষার্থীরা

সাংবাদিক রবিউলের মাতার মৃত্যুতে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে গোলাগুলিতে নিহত ২, আহত ৮

সাতক্ষীরায় তানযীমুল উম্মাহ হিফয মাদরাসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

দলের বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিএনপিতে ঠাঁই হবে না – রহমাতুল্লাহ পলাশ