রবিবার , ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আশাশুনি
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কলারোয়া
  6. কালিগঞ্জ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পাটকেলঘাটা
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন।

আমি শুধু জামায়াতের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই : জামায়াত আমীর

প্রতিবেদক
Ekramul Kabir
ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

সময় ডেস্ক :: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমি শুধু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমি ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আমি শুধু জামায়াতের জন্য ভোট চাইতে আসিনি, আমি এসেছি মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও সমস্যা জানতে এবং সমস্যা সমাধানে আমাদের করণীয় ঠিক করতে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাই মানুষকে গোলামীর হাত থেকে মুক্ত করে মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে। যারা ভোট চাওয়ার কারণে মায়েদের বুকে লাথি দিয়েছে, যারা মায়েদের কাপড় খুলে নেয়ার হুমকি দিচ্ছে, তারাই আবার ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে মায়েদের জন্য দরদ দেখাচ্ছে!’

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গ্রিন রোড সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে ঢাকা-১০ আসন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘একদিকে মায়েদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে, অন্যদিকে মায়েদের গায়ে হাত তোলা হচ্ছে, মায়েদের কোপানো হচ্ছে! খবরদার সতর্ক হও, মায়েদের কাছে ক্ষমা চাও, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। নতুবা মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষায় আমরা চুপ করে থাকব না। চব্বিশের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বোনদের গায়ে হাত তোলার পর জাতি আর চুপ করে বসে থাকতে পারেনি। আবারো যদি কেউ মা-বোনের গায়ে হাত তোলে তবে জাতি আবার ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের প্রতিহত করবে।’

তিনি বলেন, ‘যারা বছরের পর বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই এখন আমাদেরকে গুপ্ত আর সুপ্ত বলছে। অথচ তাদেরকে দেশের মানুষ বিগত ১৭ বছর কোথাও দেখেনি। আমরা কারাগারে ছিলাম, গুম-খুনের শিকার হয়েছি। কারাগারে থাকলে যদি কেউ গুপ্ত হয় তবে আমরা গুপ্ত। কিন্তু আমি কিংবা আমার কর্মীরা দেশ ছেড়ে কেউ পালিয়ে যাইনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘৫ আগস্ট বিপ্লব না হলে যাদেরকে এই জাতি জীবনেও চোখে দেখতো না তারা এখন আমাদেরকে গুপ্ত বলছে! অথচ আমরা শত জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও জনগণের পাশেই ছিলাম, আছি এবং থাকব ইনশাআল্লাহ।’

জামায়াত আমির বলেন, ‘আমাদের নেতা শহীদ মীর কাসেম আলী আমেরিকা থেকে দেশে চলে এসেছেন। তিনি দেশে আসার আগে তার বন্ধু-শুভাকাঙ্ক্ষীরা অনুরোধ করেছেন আপনি দেশে আসিয়েন না। দেশে এলে অন্য নেতাদের মতো আপনাকেও জেলে নেয়া হতে পারে, ফাঁসি দিতে পারে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, আমি কোনো অপরাধ করিনি। তাই আমার দেশে যেতে ভয় নাই। আওয়ামী লীগ জেল বা ফাঁসি দিলে দেবে, তবুও আমি দেশে ফিরব। তিনি দেশে এসেছেন এবং আওয়ামী লীগের সাজানো মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। বিচারের নামে অবিচারের শিকার হয়ে ফাঁসির মঞ্চে গিয়েছেন তবুও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি কিংবা আধিপত্যবাদের সাথে আপস করেননি।’

তিনি বলেন, ‘২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণের পরপর সেই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ড পরিচালিত করে দেশপ্রেমিক ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে খুন করে। তার পরবর্তীতে বিচারের নামে অবিচার করে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ ১১ জন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। শাপলা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে হাজার-হাজার আলেমকে হত্যা করেছে। বিগত ১৫ বছরে তারা দেশের কোটি-কোটি মানুষের ওপর জুলুম করেছে। জুলুমের শিকার জাতি আশাহত হয়েছে, আওয়ামী লীগ হয়ত ২০৪১ সালের আগে আর ক্ষমতা ছাড়বে না। কিন্তু আল্লাহ তার পরিকল্পনায় এদেশের ছাত্র-জনতার ৩৬ দিনের আন্দোলনের মুখে তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে আমাদের শত-শত কর্মীকে খুন-গুম করেছে। আয়না ঘরে বন্দী রেখে জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে। তাদের জুলুমে পুরো বাংলাদেশ কারাগারে পরিণত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম, আমাদের ওপর জুলুমের প্রতিশোধ আমরা কারো থেকে নেবো না। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত কোনো ব্যক্তি বিচার চাইলে আইন অনুযায়ী ন্যায় বিচার পেতে তাকে সহযোগিতা করা হবে। আমরা আমাদের কথা রেখেছি। আমরা কোনো মামলাবাজি করিনি, কোনো চাঁদাবাজি করিনি, কারো বাড়িঘর দখল দেই নাই। বরং আমরা আমাদের কর্মীদের বলেছি তোমরা স্বেচ্ছাসেবীর ভূমিকায় কাজ করো।’

ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, থানায় তারা কাজ করতে নিারপদ বোধ করছেন না। আমরা বলেছি আপনারা থানায় কাজ করুন বাইরে আমাদের কর্মীরা নিরাপত্তায় পাহারাদারের ভূমিকায় থাকবে। আমরা আমাদের সেই কথা রেখেছি। আমরা শহীদ পরিবারে গিয়েছি। আমরা শহীদ পরিবারগুলোর মধ্যে গিয়ে দেখেছি অনেকেই নিঃস্ব। আমরা তাদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছি। কিন্তু আমরা সেগুলো প্রচার করে শহীদ পরিবারদের অমর্যাদা করিনি। শহীদ পরিবারকে মর্যাদা দেয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশ। পচা রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করতে এবং পরিবর্তনের লক্ষ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের প্রথম ভোট গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবো। তারপর সরকার গঠনের জন্য আরেকটি ভোট দিতে হবে। সেই ভোট হবে ন্যায়-ইনসাফের এক মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভোট।’

তিনি বলেন, ‘এদেশের যুব সমাজ বেকার ভাতা চায়নি, তারা চেয়েছে উই ওয়ান্ট জাস্টিস। তারা ন্যায় বিচার চায়, তারা অধিকার চায়, তারা মানবিক বাংরাদেশ চায়। কিন্তু যারা তাদেরকে বেকার ভাতার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তাদের যুব সমাজকে নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই, কোনো কর্মসূচি নেই। জামায়াতে ইসলামীর যুব সমাজকে নিয়ে ব্যাপক কর্মসূচি আছে, পরিকল্পনা আছে। সেজন্য জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে যুব সমাজকে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।’

জামায়াত ক্ষমতায় গেল চামড়া শিল্পে বাংলাদেশ নজির স্থাপন করবে উল্লেখ করে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্পকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। আগামীতে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে এই শিল্পকে রক্ষায় ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ঢাকা-১০ আসনের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধান খুব কঠিন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘কেবলমাত্র সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে ঢাকা-১০ সংসদীয় এলাকার সকল সমস্যা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান সম্ভব। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে তিনি ঢাকা-১০ সংসদীয় এলাকার জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।’

১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মো: জসীম উদ্দীন সরকার বলেন, ‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ঈমানের দাবি, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা হচ্ছে দেশপ্রেমের দাবি। আমাদের জুলাই যোদ্ধারা সেই দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।’

দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে জুলাই বিপ্লব পরবর্তী আজ পর্যন্ত প্রত্যেক শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, ‘জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের রক্তের দায় শোধ করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।’

ঢাকা-১০ সংসদীয় এলাকার বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির সঙ্কট ও জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন সমস্যার চিত্র তুলে ধরে জসীম উদ্দীন সরকার বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে বিদ্যমান সকল সমস্যা অগ্রধিকার ভিত্তিতে সমাধান করব। শুধুমাত্র দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের কারণে ঢাকা-১০ আসনের বিদ্যমান সমস্যাগুলো অতীতের নেতারা সমাধান করতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে দুর্নীতিমুক্ত জনপ্রতিনিধি ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন পাবে দেশের জনগণ।’

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘সমাজে দুই ধরনের নেতা দেখা যায়। এক ধরনের নেতা বলে তারা এটা করবে, ওটা করবে। কিন্তু তাদের কথা আর কাজের কোনো মিল পাওয়া যায় না। আরেক ধরনের নেতা আছে যারা কাজ করে এবং আরো কাজ করতে চায়। স্বাধীনতার বিগত ৫৪ বছর আমরা যাদেরকে আমাদের নেতা বানিয়েছি, যাদেরকে এমপি-মন্ত্রী বানিয়েছি তারা আমাদেরকে প্রতারিত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আর ভুল করা যাবে না। অতীতে যারা আমাদেরকে ধোঁকা দিয়েছে তারা এখন আবার নতুন করে ধোঁকা দেয়ার জন্য কার্ড নিয়ে রাস্তায় নেমেছে। কার্ডের নামে জনগণকে আবারো ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা চলছে।’

দেশবাসীকে ধোঁকায় না পড়ে নিজের বিবেক কাজে লাগিয়ে ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, ‘ইনসাফের দল জামায়াতে ইসলামীর আমিরের অতীত কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করে দেখুন। আমিরে জামায়াত ডা: শফিকুর রহমান বন্যা, ভূমিকম্প ও করোনাকালীন দুর্যোগসহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের প্রয়োজনে সবার আগে, সবখানে ছুটে গিয়েছেন এবং যান। ডা: শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে আগামীতে বাংলাদেশ পরিচালিত হলে বাংলাদেশ আর কখনো পথ হারাবে না।’

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, ‘এদেশের মানুষ আর কাউকে বাংলাদেশে আধিপত্যবাদ বিস্তার করতে দেবে না, ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেবে না।’ রাশেদ প্রধান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ও দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেয়ার জন্য ঢাকা-১০ আসনের জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১০ আসন কমিটির পরিচালক অধ্যাপক নুর নবীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেব আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জুলাই শহীদ রমিজ উদ্দীনের বাবা এ কে এম রকিব উদ্দীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির এবং মহানগরী দক্ষিণের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুস সবুর ফকির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।

মহানগরীর মজলিসে শূরা সদস্য ও নিউমার্কেট থানার আমির মাওলানা মহিব্বুল্লাহ ফরিদের পরিচালনায় জনসভায় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব সভাপতি ও ডাকসু পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১০ আসন কমিটির সহকারী পরিচালক শেখ শরীফ উদ্দিন আহমেদ, ধানমন্ডি জোন টিম সদস্য অ্যাডভোকেট জসীম উদ্দীন তালুকদার, কামরাঙ্গীরচর পশ্চিম থানার আমির মুজিবুর রহমান খান, এনসিপির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ধানমন্ডি-হাজারীবাগ জোন পরিচালক মিজানুর রহমান, হাজারীবাগ দক্ষিণ থানার আমির আখতারুল আলম সোহেল, হাজারীবাগ উত্

তর থানার আমির মাহফুজ আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, কলাবাগান পশ্চিম থানার আমির (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা কলেজ শাখার সেক্রেটারি সাইমুন ইসলাম সানি প্রমুখ।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় ও মহানগরী নেতৃবৃন্দসহ ঢাকা-১০ আসনের সকল থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ এবং ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ - Uncategorized

আপনার জন্য নির্বাচিত

যেই নেতার দেশে আসা অদৃশ্য শক্তির হাতে নির্ভর করেছে, সেই নেতাই জামায়াতে ইসলামীকে গুপ্ত বলছে’: মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক

বিএনপিতে কোন চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসঙ্গিবাদ বাজ ও দখলবাজদের জায়গা হবে না .. আজিজুল বারী হেলাল

কয়রায় দখলীয় জমি জবর দখলের চেষ্টা ও স্যালো মেশিং ভাংচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

খুলনা-৬ পাইকগাছা-কয়রা আসনে জামানত হারালেন লাঙ্গল-হাতপাখা-কাস্তের প্রার্থী

আশাশুনি জামে মসজিদের সভাপতি রবিউলের দাফন সম্পন্ন

আশাশুনি উপজেলা তরুণ দলের কমিটি গঠন

আশাশুনিতে গণঅধিকার পরিষদের ১২ নেতা-কর্মীর জামায়াতে যোগদান

ডিজিটাল সহিংসতা প্রতিরোধে শ্যামনগরে র‍্যালি, মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

যে কারণে তারেক রহমানের এখনই দেশে ফেরা সম্ভব হচ্ছে না

ধেয়ে আসছে মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী ঝড়