পাকিস্তানের সিনেট সদস্য এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান সামিনা মুমতাজ জেহরিও এ তথ্য স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের নাগরিকদের অধিকাংশই আমিরাতের ভিসার আবেদন করে ব্যর্থ হচ্ছেন, মুষ্টিমেয় যারা সফল হচ্ছেন— তাদেরও অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
পাকিস্তানের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উদ্যোক্তা আসিম বেগ জানিয়েছেন, আমিরাতে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে গত কয়েক বছর ধরে ভিক্ষাবৃত্তিসহ বিভিন্ন অপরাধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উত্তরোত্তর বাড়ছে। সম্ভবত এ কারণেই পাকিস্তানিদের ভিসাপ্রদান স্থগিত রেখেছে দেশটি।
পাকিস্তান ও আরব আমিরাতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আছে। আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস। আমিরাতে যেসব দেশের অভিবাসীরা স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন, তাদের মধ্যে পাকিস্তানিরা শীর্ষে।
প্রতি বছর ইসলামাবাদে আমিরাতের দূতাবাসে প্রতি বছর ভ্রমণ ও কর্মভিসার জন্য আবেদন করেন গড়ে ৮ লাখেরও বেশি পাকিস্তানি।
সূত্র : ডন















