সোমবার , ৩০ মার্চ ২০২৬ | ১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আশাশুনি
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কলারোয়া
  6. কালিগঞ্জ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পাটকেলঘাটা
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন।

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাতক্ষীরায় স্কুল শিক্ষক নিয়োগ, প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ

প্রতিবেদক
Ekramul Kabir
মার্চ ৩০, ২০২৬ ৩:১০ অপরাহ্ণ

আবু সাঈদ :: আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্কুল শিক্ষক নিয়োগ, প্রতিকার চেয়ে উপপরিচালক খুলনা অঞ্চল খুলনা সহ সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার এর নিকট ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষক কতৃক লিখিত অভিযোগ।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানাযায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তালতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ‍্যালয় এর সিনিয়র সহকারী শিক্ষক এস এম মোর্তজা আলম গত ইং ৮ আগস্ট ২০১০ সালে ইংরেজি নিবন্ধন কৃত সনদধারী হিসাবে অত্র স্কুলে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ শিক্ষক রেজাউল করিম এর অনিয়ম দুর্নীতির প্রতিবাদ করার কারণে বিরোধ সৃষ্টি হয় মোর্তজা আলমের সাথে। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম হিংসার বশবর্তী হয়ে, শিক্ষক এস এম মোর্তজা আলমকে তার প্রাপ্ত অধিকার হতে দীর্ঘদিন বঞ্চিত করে।

অধিকার আদায়ের জন্য সহকারী শিক্ষক মোর্তজা আলম জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ করে প্রতিকার চাই, তাতেও কোনো ফল না পেয়ে ২০১৫ সালে সাতক্ষীরা আদালতে মামলা করেন শিক্ষক মোর্তজা আলম বাদী হয়ে। ঐ মামলায় অত্র স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমসহ স্কুল সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে বিবাদী করে, যার মামলা নং ২০৩/১৫। ঐ মামলায় আদালতের বিচারক সোলেনামা শর্ত অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক ও বিবাদী রেজাউল করিমকে ক্ষমা করেন। কিন্তু আদালতের রায়কে তোয়াক্কা না করে আবারও সহকারী শিক্ষক মোর্তজা আলমকে হেনস্থা করেন প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম।

ভুক্তভোগী শিক্ষক মোর্তজা আলম আবারও সাতক্ষীরা আদালতে ২০২১ সালে মামলা করে যার মামলা নং ১৭৮/২১। উক্ত মামলায় আদালত উভয় পক্ষের দীর্ঘদিন শুনানি করে সহকারী শিক্ষক মোর্তজা আলমকে সকল অধিকারসহ উচ্চতর বেতন স্কেল দেওয়ার জন্য আদেশ প্রদান করেন। সুচতুর এবং দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বার বার আদালতের আদেশ ভঙ্গ করে, অত্র স্কুলের সহকারী শিক্ষক মোর্তজা আলমকে হয়রানিসহ নানা ধরনের নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভুক্তভোগী শিক্ষক তার অধিকার বঞ্চিত হওয়ায় আবারও আদালতের স্মরণাপন্ন হয় ন‍্যায় বিচারের জন্য। ২০২৫ সালে সহকারি শিক্ষক মোর্তজা আলম বাদী হয়ে ১২২/২৫ মামলা দায়ের করে। আদালত উক্ত মামলায় ২১ জানুয়ারি ২৬ সাল উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে শুনানি করে। মামলার বাদী সহকারি শিক্ষক মোর্তজা আলমকে ইংরেজি বিষয় ভিত্তিক ক্লাস নেওয়া এবং ইংরেজি বিষয় পরিক্ষক হিসাবে তার কার্যক্রম চালানোর জন্য আদেশ দেয়। রায়ে আরো উল্লেখ করে অত্র স্কুলে ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত আদেশ প্রদান করেন।

আদালতের আদেশ আবারও অমান্য করে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম ভঙ্গ করে সেচ্ছাচারিতা ভাবে স্কুল বন্ধের দিন এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির মিটিং না করে ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষক হিসাবে শান্তনু সর্মা কে নিয়োগ ও যোগদান করান ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম।

এবিষয়ে তালতলা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ‍্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সামছুল হক এ প্রতিবেদক কে মোবাইলে বলেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে সভার রেজুলেশন এ আমি স্বাক্ষর করিনি এবং ঐ শিক্ষককে নিয়োগ দিতে নিষেধ করেন প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমকে। তার পরও প্রধান শিক্ষক আইনের কর্ণপাত না করে গায়ের জোরে তার ব‍্যাক্তিগত সার্থ হাসিলের জন্য আদালতের সকল আদেশ ভঙ্গ করে ২৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মাঘীপূর্ণীমার ছুটির দিনে অবৈধ ভাবে স্কুলের শিক্ষক হাজিরা খাতায় সাক্ষর করায় এবং নিয়ো

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত