সময় ডেস্ক :: ঘুষের টাকা না দেওয়ায় এক কৃষকদল নেতাকে তালা বদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা এলজিইডি অফিসের প্রকৌশলী ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সাতক্ষীরা সদর উপজেলা এলজিইডি অফিসে এ ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর হোসেন তালা উপজেলা কৃষকদলেকর আহ্বায়ক। তিনি পাশাপাশি ঠিকাদারী পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম জানান, বুধবার (২৫ফেব্রুয়ারি) সকালে তিনি একটি টেন্ডারের জামানত ছাড় করতে অফিসে যান। ওই সময় অফিসের এসও আলামিন হোসেন তার কাছে দেড় হাজার টাকা ঘুষ দাবি করে বসেন। উপায় না পেয়ে ১ হাজার টাকা দিয়ে দফারফা করেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুনঃরায় তিনি তার ফাইল ছাড়াতে গেলে আলামিন ফের ৫০০ টাকা দাবি করেন। একই সাথে পিয়ন তার কাছে একশত টাকা দাবি করেন।
দাবি মত টাকা না দিয়ে তিনি অফিসের কর্মচারীদের সাথে বাকবিত্তন্ডায় জড়িয়ে পড়লে সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী তাকে প্রায় ঘন্টাব্যাপি তালা বন্ধ করে আটক রাখেন। পরে স্থানীয় ঠিকাদারদের সহযোগিতায় মুক্ত হন তিনি।
জানাতে চাইলে এ বিষয়ে সদর উপজেলা এলজিইডি অফিসের প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী জানান, বুধবার ঠিকাদার জাহাঙ্গীরের একটি জামানত ম্যাচিউট হয়। আজ দুপুরে তিনি অফিসে এসে এসও আলামিনের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে জাহাঙ্গীর এস ও আলামিনকে মারতে উদ্যত হয়। আমি ঘটনাটি শুনে তাকে অফিস থেকে বের হয়ে যেতে বলি। কিন্তু তিনি বের না হয়ে পুনরায় বাকবিতন্ডায় জড়ান। ওই সময় দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে জাহাঙ্গীরকে সেভ করার জন্য একটি ঘরে তালা বন্ধ করে রেখে দিই। এরপর জেলা ঠিকাদার কল্যান কমিটির লোকজনকে খবর দেই। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যস্ততায় দুপক্ষের মীমাংশা শেষে জাহাঙ্গীরকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব দত্ত জানান, ঘটনাটি শুনে দুপক্ষের মধ্যে মীমাংসা করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কেউ ঘুষ নিয়ে থাকলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।















