সময় ডেস্ক :: নিরাপত্তা ইস্যু থাকায় আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ। এই অবস্থানেই অটল রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিকল্প ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কাকেই চূড়ান্তভাবে পছন্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বোর্ড পরিচালক আসিফ আকবর । তার ভাষ্য অনুযায়ী, আইন, ক্রীড়া, পররাষ্ট্র ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সমর্থন নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং আইসিসি যদি এই ভেন্যুতে সম্মতি না দেয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নেবে না ৷
খেলোয়াড়, মিডিয়া ও দর্শকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে বোর্ড এগোচ্ছে বলে স্পষ্ট করেন তিনি। ক্রিকফ্রেঞ্জিকে দেয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে আসিফ আকবর আরও কথা বলেছেন মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল এনওসি নিয়ে, বিসিবিকে আইসিসির নিষিদ্ধ ও রাজস্ব হারানোর গুঞ্জন, আইসিসির সঙ্গে চিঠি চালাচালি এবং বোর্ডের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিয়ে।
পাশাপাশি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের পাইপলাইন শক্ত করা, অনুর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্টের গুরুত্ব, থিম সং ও সংগীতের মাধ্যমে তরুণ ক্রিকেটারদের উদ্বুদ্ধ করার পরিকল্পনা, মিডিয়ার ভূমিকা এবং ক্রিকেটকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি দর্শনও উঠে এসেছে তার কথায়। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থান ও খেলাধুলাকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার দৃষ্টিভঙ্গিও ব্যাখ্যা করেন তিনি ।
পাঠকদের জন্য এই সাক্ষাৎকারটি পুরোপুরি তুলে ধরা হলো-
ক্রিকফ্রেঞ্জি: একসাথে আসলে দুটো প্রশ্ন করতে চাই যে যেহেতু আপনি বয়স ভিত্তিক দল নিয়ে কাজ করেন একটা গান আমরা শুনতে পাচ্ছি সেই গানটা যতদুর জানি যে বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটারদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য। এই ব্যাপারে আসলে গানটার পেছনের গল্পটা জানতে চাই। আর আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে যে অনেকটা কথিতই আছে আসলে যারা ডোমেস্টিক ক্রিকেট খেলে বা এইজ লেভেল খেলে যে অনূর্ধ্ব-১৯ না খেলতে পারলে আমি জাতীয় দলে আর খেলতে পারব না। কিন্তু বিসিবি এখন একটা অনুর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্ট করছে তো এই টুর্নামেন্টে ভালো করাদের ক্ষেত্রে আসলে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়াটা কতটা সহজ হয়ে যাবে?
আসিফ: অবশ্যই আমরা অতীতেও দেখেছি অনেক যদি ফুটবলেও দেখি ক্রিকেটেও দেখি অনেক বয়স হওয়া প্লেয়ার একটা বয়সে এসে রঙ ছড়াচ্ছে। আমরা ব্র্যাড হজকে ধরতে পারি উদাহরণ হিসেবে এরকম সারা দুনিয়াতেই আছে। তো আমরা যে প্ল্যানে আছি অনুর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্টে সেটা হচ্ছে খেলার মধ্যে রাখা। আর ন্যাশনাল টিমের দরজা ওপেন সবার জন্যই যেমন ইন্টার ইউনিভার্সিটি টুর্নামেন্টগুলো হচ্ছে বা হবে আরও যেমন ইন্টার কলেজগুলো করব তো অবশ্যই সেখান থেকে প্রতিভাবান প্লেয়ার বের হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে ইগলের চোখের মতো যে কোনো ট্যালেন্ট যেন হারিয়েই না যায়। পাশাপাশি এই টুর্নামেন্টগুলোর মাধ্যমে বাচ্চাদেরকে খেলার মধ্যে রাখা । আর ন্যাশনাল টিমের পাইপলাইন যেটা তৈরি করতে হবে সেটার জন্য অবশ্যই আমাদেরকে খেলাধুলা করাতেই হবে। তো সেটা করার জন্য আমরা করছি।

















