সময় ডেস্ক : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে আটকের প্রায় ১৪ ঘণ্টা পর জামিন দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় তাকে হবিগঞ্জের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক আব্দুল মান্নান শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট চৌধুরী আশরাফুল বারি নোমান।
এর আগে সকাল ৮টার দিকে পুলিশ পাহারায় মাহদী হাসানকে হবিগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শতাধিক নেতা-কর্মী আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে মাহদী হাসানকে আটকের পর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন। তারা রাতেই আদালত বসিয়ে জামিন শুনানির দাবি জানান। তবে রাতে আদালত না বসায় রোববার সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
এর আগে সকাল ৮টার দিকে পুলিশ পাহারায় মাহদী হাসানকে হবিগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শতাধিক নেতা-কর্মী আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে মাহদী হাসানকে আটকের পর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার সামনে অবস্থান নেন। তারা রাতেই আদালত বসিয়ে জামিন শুনানির দাবি জানান। তবে রাতে আদালত না বসায় রোববার সকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
হবিগঞ্জ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম জানান, শায়েস্তাগঞ্জ থানার একটি মামলায় মাহদী হাসানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়েছে। মামলায় তার বিরুদ্ধে পুলিশের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, এনামুল নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এনামুল হাসানকে আটকের পর তাঁর মুক্তির দাবিতে গত শুক্রবার দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা শায়েস্তাগঞ্জ থানা ঘেরাও করেন। এ সময় মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে অবস্থান নেন।
এ সময় ওসির সঙ্গে মাহদী হাসানের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের উদ্দেশে মাহদী হাসানকে বলতে শোনা যায়, ‘জুলাই আন্দোল
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, এনামুল নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এনামুল হাসানকে আটকের পর তাঁর মুক্তির দাবিতে গত শুক্রবার দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা শায়েস্তাগঞ্জ থানা ঘেরাও করেন। এ সময় মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কক্ষে অবস্থান নেন।
এ সময় ওসির সঙ্গে মাহদী হাসানের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের উদ্দেশে মাহদী হাসানকে বলতে শোনা যায়, ‘জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আপনারা আমাদের ছেলেদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছেন। আবার আমাদের সঙ্গে বার্গেনিং করছেন। আপনি (ওসি) বলেছেন, “আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে? ”একপর্যায়ে মাহদী হাসান বলেন, বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিক্টলি এখানে আসছি। আমরা এতগুলা ছেলে ভাইসা আসছি নাকি?’

















