রবিবার , ১৫ মার্চ ২০২৬ | ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আশাশুনি
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কলারোয়া
  6. কালিগঞ্জ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পাটকেলঘাটা
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন।

অস্ট্রেলিয়ার ‘অ্যাসাইলাম’ ছেড়ে দেশে ফিরছেন আরও ৩ ইরানি ফুটবলার

প্রতিবেদক
Ekramul Kabir
মার্চ ১৫, ২০২৬ ১০:২২ পূর্বাহ্ণ

সময় ডেস্ক :: নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে নারী এশিয়ান কাপ শেষ হলেও অস্ট্রেলিয়ায় (অ্যাসাইলাম) থেকে যাওয়ার প্রস্তাব পেয়েছিলেন ইরানের ফুটবলাররা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশনাও দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়াকে। দেশটির আহবানে সাড়া দিয়ে প্রথম দফায় পাঁচ এবং পরবর্তীতে আরও দুই ইরানি ফুটবলার থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু মত পাল্টে একে একে তাদের মধ্যে নিজ দেশে ফিরছেন চারজন।

রোববার এই তথ্য জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। এর আগে দ্বিতীয় দফায় আশ্রয় নেওয়া দুই ফুটবলার ও কোচিং স্টাফের মাঝে একজন অল্প সময়ের ব্যবধানেই মত পরিবর্তন করে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। নতুন করে সেই দলে যোগ দিলেন আরও তিন ইরানি ফুটবলার। ফলে এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার আশ্রয়ে আছেন আর তিনজন।

এক বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী টনি বার্কে জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়ান অফিসিয়ালদের সিদ্ধান্ত জানানোর পর খেলোয়াড়দের আবারও বিষয়টি নিয়ে ভাবার অপশন দেওয়া হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ান সরকার তাদের সুযোগ দিতে চাওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে চায়। কারণ যে পরিস্থিতিতে (শাস্তির হুমকি) তারা কঠিন সিদ্ধান্ত (অ্যাসাইলামে থাকা) নিয়েছিল, সেই প্রসঙ্গ আমরা বাদ দিতে পারছি না।

এদিকে, ইরানিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএফআইআরআই) দেশে ফিরতে চাওয়া তিন ফুটবলারের নাম জানিয়েছে। তারা হচ্ছেন– মোনা হামুদি, জাহরা সারবালি এবং জাহরা মেশকাহকার। ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মালয়েশিয়ায় এসে ইরান নারী ফুটবল দলের বাকি সদস্যদের সঙ্গে যুক্ত হবেন তারা। এরপর অন্যদের মতো এই তিন নারী ফুটবলারও কয়েকদিনের ভেতর মাতৃভূমি এবং পরিবারের সঙ্গে আলিঙ্গন করবেন।’

অস্ট্রেলিয়া থেকে গত সপ্তাহেই মালয়েশিয়ায় পৌঁছায় ইরান নারী ফুটবল দল। এখনও ইরানের সঙ্গে চলমান ‍যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নিরাপদে দেশে ফেরার অপেক্ষায় তারা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। যেখানে প্রাণ হারান দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ওই ঘটনার আগেই ইরানের মেয়েরা অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে গিয়েছিল। পরবর্তীতে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ইরানের জাতীয় সংগীত চলাকালে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন ফুটবলাররা। যা নিয়ে তাদের তোপের মুখে পড়তে হয়।

এই ঘটনায় ফুটবলারদের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে দেশে ফিরলে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছিলেন ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনের এক উপস্থাপক। এরপর অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী ইরানি নাগরিকরা বিক্ষোভ করেন। পাশাপাশি যুদ্ধে ইরানের বিপরীতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নারী ফুটবলারদের আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) দেওয়ার নির্দেশনা দেন অস্ট্রেলিয়াকে। সেই ধারাবাহিকতায় দেশটিতে আশ্রয় নেয় ইরানের ৭ ফুটবলার। এর আগে তোপের মুখে পড়ার পরবর্তী ম্যাচে জাতীয় সংগীত গাওয়ার পাশাপাশি তারা সামরিক স্যালুটও দিয়েছেন।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান

অবশেষে মারা গেলেন ইত্যাদিতে চুল দিয়ে মাইক্রো টেনে ইতিহাস সৃষ্টি করা আঃ সবুর 

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদন

পাইকগাছায় বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে…… মনিরুল হাসান

স্বপ্ন ও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে আসছে অপো এ৬

৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে সাতক্ষীরায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি : উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

আরও ১৯ বসতি স্থাপনের অনুমতি ইসরায়েলের

আমিরাতে আটকে পড়া আরো ৪০৫ যাত্রী দেশে ফিরেছেন

সাতক্ষীরায় মৌচাক সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সভা

ঝাউডাঙ্গা বাজারে ঔষধের অনিয়ম প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট