সময় ডেস্ক :: একটি শহর, যেখানে অপরিকল্পিত নির্মাণ, অবৈধ দখল, এবং পরিবেশ দূষণ নিত্যদিনের সঙ্গী। শহরের রাস্তাগুলো সংকীর্ণ, যানবাহনের চাপ অসহনীয়, এ শহরের মানুষজন যেন অভ্যস্ত হয়ে গেছে এই পরিস্থিতির সাথে, কিন্তু কেউ কি ভেবে দেখেছে এই শহরের ভবিষ্যত?
শহরের উন্নয়নের জন্য দায়ী যারা, তারা কি তাদের দায়িত্ব পালন করছেন?নাকি উন্নয়ন বুজেই না।? নাকি তারা শুধু নিজেদের স্বার্থ দেখছেন? শহরের সৌন্দর্য রক্ষায় কি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? নাকি শুধু অপরিকল্পিত নির্মাণ আর অবৈধ দখলের ফলে শহরটি ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে? অদৃশ্য দালাল হাতে যাচ্ছে নাতো ভবিষ্যত!
অপরিকল্পিত নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, শহরের সৌন্দর্য রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে হবে, এবং পরিবেশ দূষণ রোধ করতে হবে। শহরের উন্নয়নের জন্য দায়ী যারা, তাদের দায়িত্ব পালনে সক্রিয় হতে হবে, এবং শহরের মানুষজনকেও তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
শহরের ভবিষ্যত আগামী সরকারের হাতে, শহরটিকে একটি সুন্দর ও আধুনিক শহরে পরিণত করতে।
মেজর জিয়াউর রাহমান ছিলেন একজন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতা। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং দেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করতে শিখেছে।
পৌরসভার সদস্যদের যাচাই-বাছাইয়ের সময় এসেছে।
বগুড়া পৌরসভার সদস্যদের যোগ্যতা ও সক্ষমতা নিয়ে বাস্তব অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন। পৌরসভার কতজন সদস্য যোগ্য এবং তাদের যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ ভাঙা উচিত। এই পরিস্থিতিতে, পৌরসভার সদস্যদের যাচাই-বাছাই করা অত্যন্ত জরুরি। যাতে কোনো বাহ্যিক ইনফ্লুয়েন্স থাকবে না।
#_যাচাই_বাছাইয়ের_প্রক্রিয়া :পৌরসভার সদস্যদের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি গঠন করা উচিত। এই কমিটির সদস্যরা পৌরসভার সদস্যদের যোগ্যতা, শারীরিক সক্ষমতা, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং মানসিক সক্ষমতা যাচাই করা উচিত।
🎯 যাচাই বাছাইয়ের মানদণ্ড:
1. #_শারীরিক_সক্ষমতা : পৌরসভার সদস্যদের শারীরিকভাবে সক্ষম আছেকিনা, মেন্টাললি এক্টিভ কিনা, অবহেলা হেলামি খামখেয়ালি আসে কিনা।
2. #_শিক্ষাগত_যোগ্যতা : পৌরসভার সদস্যদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা আছেকিনা, চাকরিটা কিভাবে পেয়েছে, গত স্বৈরাচারী সরকারের নেতাদের অর্থ বিনিময় নাকি স্বাভাবিক নিয়মে।
3. #_মানসিক_সক্ষমতা : পৌরসভার সদস্যদের মানসিকভাবে সক্ষম হতে হবে। মাদক বা অতিরিক্ত ধূমপান করসেন কিনা মেডিকেল চেকিং করা যুক্তি আসে।
#_অযোগ্য_সদস্যদের_অপসারণ: যাচাই-বাছাইয়ের পর, অযোগ্য সদস্যদের অপসারণ করা উচিত। এছাড়াও, যারা রাজনৈতিক প্রভাব বা অন্য কোনো অযৌক্তিক উপায়ে পৌরসভার সদস্য হয়েছেন, তাদেরও অপসারণ করা উচিত। কেননা পোলিটিকাল আর ইন্ডিয়ান দালাল কোনোদিন বাংলাদেশ দেশ ভালোবাসবে না।
সারা দেশের পৌরসভার ও সিটি কর্পোরেশন একজন সদস্য, যিনি গত সরকারের আমলে নিয়োগ পেয়েছিলেন, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে চুলছেড়া প্রশ্ন করা উচিত। পৌরসভার কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে এবং বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভব হবে।
লেখক :👦 প্রকৌ: মীজা শ. হাসান
BSc civil; LL.b (pass) ; E. MBA HRM ( project. )
🌐 গেস্ট লেকচারার, নির্মাণ পরামর্শ, ল চেম্বার সহযোগী।
email: wait2create@yahoo.com,
কল : 8801771743317.
















