বৃহস্পতিবার , ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আশাশুনি
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কলারোয়া
  6. কালিগঞ্জ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পাটকেলঘাটা
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন।

পূণ্যভূমি সিলেট থেকেই বিএনপির ন্যায়-শান্তি ও উন্নয়নের মহাযাত্রা শুরু

প্রতিবেদক
Ekramul Kabir
জানুয়ারি ২২, ২০২৬ ৩:০৯ অপরাহ্ণ

সময় ডেস্ক ::পূর্বসূরিদের রীতি অনুসরণ করে পীর আওলিয়াদের পূণ্যভূমি সিলেট থেকেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলো বিএনপি।

সূদুর প্রবাসে থেকেও দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন নিয়ে লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেদিনই রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত গণ-সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আই হ্যাভ এ প্লান। তিনি জানান, বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে দেশে ন্যায়, শান্তি ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হবে। ২০২৩ সালে বিএনপির রাষ্ট্র মেরামরতে ৩১ দফায় উল্লেখ ছিল আগামীর রাষ্ট্র গঠনের ভাবনা। প্রত্যেক শ্রেণী-পেশার মানুষকে ঘিরেই সাজানো বিএনপির উন্নয়ন পরিকল্পনা। সিলেট থেকে নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে বিএনপির ন্যায়, শান্তি ও উন্নয়নের সেই মহাযাত্রা শুরু করলেন তারেক রহমান।

আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহু কাঙ্খিত জাতীয় নির্বাচন। বিএনপির বরবরই দাবি ছিল একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। কারণ, দেশের মানুষ গত তিনটি নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। তাছাড়া মানুষের সকল গণতান্ত্রিক অধিকারও এক প্রকার রুদ্ধ ছিল। গত প্রায় ১৬ বছর আওয়ামী লীগ নামক এক ভয়ংকর ফ্যাসিস্ট সরকার দেশের জনগণের উপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছিল।

মানুষের অধিকার আদায়ের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপির হাজার হাজার নেতা-কর্মী গুম খুন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। রাজপথে রক্ত ঝরিয়েছেন। বিএনপির ৬০ লাখ নেতা-কর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ বিতাড়িত হয়। সুযোগ তৈরি হয় দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার। জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার। তবে গণতন্ত্রের প্রধান পূর্বশর্ত হলো একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা। এজন্যই বিএনপি বার বার নির্বাচনের দাবি জানিয়ে এসেছে।

২০২৪ সালের ৮ আগস্ট নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হওয়ার পর বিভিন্ন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গঠিত হয় একাধিক সংস্কার কমিশন। বিএনপি শুরু থেকেই সংস্কার প্রস্তাবে সরকারকে সহযোগিতা করেছে। কারণ, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে সংস্কারের প্রস্তাব সবার আগে বিএনপিই দিয়েছে। দলটির ৩১ দফায় উল্লেখ ছিল এক ব্যক্তি ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবে না। সংসদে উচ্চকক্ষ গঠন, বিরোধীদল থেকে সংসদীয় বিভিন্ন কমিটিতে স্থান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মুক্ত গণমাধ্যম সবকিছুই আছে ৩১ দফায়।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের গত দেড় বছরে রাজনীতিতে নানা সংকট তৈরি হয়। অনিশ্চয়তা তৈরি হয় নির্বাচন ঘিরে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড, বক্তব্যে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। জনমনে প্রশ্ন জাগে, নির্বাচন কি আদৌ হবে? তবে সকল চড়াই উতরাই পার করে অবশেষে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শুরু হয়েছে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার কাজ। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মা, দলটির প্রয়াত চেযারপারসন বেগম খালেদা জিয়াও অতীতে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতেন সিলেটের হযরত শাহাজালাল (র.) এর কবর জিয়ারতের মাধ্যমে। মায়ের দেখানো পথেই ছেলে তারেক রহমান সিলেট থেকে শুরু করলেন নির্বাচনী প্রচারণা। আজ সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে জনসভায় দেশ গঠনে বিএনপির ভাবনা তুলে ধরেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

তারেক রহমান জানান, দেশের একেবারে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষকেও অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করবে বিএনপি। ৪ কোটি নারীকে দেওয়া হবে ফ্যামিলি কার্ড। এর মাধ্যমে সংসারের একজন মা ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল নারী এই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। কৃষকের জন্য দেওয়া হবে কৃষি কার্ড। এর মাধ্যমে একজন কৃষক সার বীজ কীটনাশসহ কৃষিঋণ সহায়তা পাবেন। স্বাস্থ্য কার্ডের মাধ্যমে দেশের অসহায় মানুষ স্বাস্থ্যসেবা পাবেন। প্রায় দেড় লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। এরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলবে, যাতে হাসপাতালে রোগীর চাপ কমে।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বেকার সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নেবে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ১৮ মাসের মধ্যে দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। পরিবেশ রক্ষায় ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল কাটা কর্মসূচি চালু করা হবে। আলেম-উলামাদের মাসিক বেতনের ব্যবস্থা করা হবে। সর্বোপরি ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে।

সবমিলিয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দেশের মানুষ পাবে একটি গণতান্ত্রিক সরকার। যে সরকার মানুষের অধিকার নিশ্চিত করবে। যেখানে থাকবে না কোন বিভাজন। সাম্যতার ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে। ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব শহীদের আকাঙ্খা ধারণ করেই একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনে ইতোমধ্যে নিজেদের অঙ্গীকারের কথা জানিয়েছে দেশের বৃহৎ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল বিএনপি।

সর্বশেষ - Uncategorized

আপনার জন্য নির্বাচিত

ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল আন্ত: বিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫ এর উদ্বোধন 

শ্যামনগরে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ফেইথ ইন এ্যাকশনের কমিউনিটি উদযাপন

শ্যামনগরে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ফেইথ ইন এ্যাকশনের কমিউনিটি উদযাপন

বিচ্ছেদ নিয়ে রবি চৌধুরীর বক্তব্যের জবাব দিলেন ডলি সায়ন্তনী

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বজায় রেখে আমরা সবাই মিলে দেশটাকে গড়বো… ড. আসাদুজ্জামান রিপন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের উপস্থাপনায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

১৪ সদস্যের নির্বাচনি পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে কমনওয়েলথ

সাতক্ষীরা ল কলেজের প্রভাষক এড. হাসনা হেনা খান এর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

দরগাহপুরে সাংবাদিক আরাফাতের চাচীর দাফন সম্পন্ন

প্রথম আলোতে হামলা মামলায় ১৫ আসামি কারাগারে