সময় ডেস্ক :; দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে রাজধানীর নয়াপল্টনে অবস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় আবারও সরগরম হয়ে উঠেছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে মুখর ছিল পুরো অফিস এলাকা।
এদিন সকাল ১১টায় দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কার্যালয়ে পৌঁছলে প্রধান ফটকে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং এবং দলের মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। পরে তিনি তিনতলায় নিজের চেম্বারে গিয়ে বস
চেম্বারে প্রবেশের পর দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য সালেহ উদ্দিন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সহসভাপতি তপন কুমার মজুমদারসহ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুল দিয়ে মহাসচিবকে শুভেচ্ছা জানান।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর এই প্রথম নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এলেন বিএনপি মহাসচিব। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকে কার্যালয়টি প্রায় নেতাকর্মীশূন্য ছিল। অলস সময় কেটেছে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। তবে সোমবার ছিল ভিন্ন চিত্র। সকাল থেকেই অফিসে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। কর্মীরা জানান, মহাসচিবের আগমন উপলক্ষে ব্রিফিং কক্ষও সাজানো হয় নতুনভাবে।
বিএনপি দপ্তরের কর্মকর্তা রেজাউল করীম বলেন, মহাসচিব আসবেন, তাই সকাল থেকেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম। তিনি এসেছেন, এতে আমাদের খুব ভালো লাগছে।
একজন অফিস কর্মী বলেন, গত ছয় দিন অফিস একেবারেই ফাঁকা ছিল। নেতাকর্মীদের তেমন দেখা যায়নি, কাজও ছিল না। আজ অনেকেই এসেছেন, স্লোগান দিচ্ছেন—অফিস গমগম করছে।
মহানগর বিএনপির কর্মী আবদুল হালিম জানান, মহাসচিব আসবেন জেনে সকাল ১০টায় অফিসে এসেছি। গত কয়েক দিন অফিস ছিল একেবারে নীরব। আজ মনে হচ্ছে অফিসে আবার প্রাণ ফিরে এসেছে।
চেম্বারে বসে মহাসচিব দপ্তরের সহসম্পাদকদের নিয়মিত অফিস করার নির্দেশ দেন। তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাজের খোঁজখবর নেন এবং সবাইকে নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, আপনারা নিয়মিত অফিস করবেন, কোনো কাজ ফেলে রাখা যাবে না। নেতাকর্মীরা দূরদূরান্ত থেকে এলে তাদের সহযোগিতা করবেন। এ ব্যাপারে কোনো শিথিলতা যেন না হয়।
নয়াপল্টনের কার্যালয়ে প্রায় ৪৫ মিনিট অবস্থানের পর মহাসচিব সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন। তার আগমনে দীর্ঘদিনের নিস্তব্ধ কার্যালয়ে ফিরে আসে কর্মচাঞ্চল্য ও প্রাণের সঞ্চার।
















