ডেস্ক নিউজ : কলারোয়া সরকারি কলেজের সাবেক উপাধক্ষ্য প্রফেসর নূরুল ইসলাম স্যারের নামাজে যানাজায় বক্তাগণ বলেছেন,তিনি ছিলেন কলারোয়া সরকারি কলেজ ও তুলশীডাঙ্গা গ্রামের সোনার মানুষ। নূরুল স্যার অত্যন্ত মেধাবী হয়েও সরকারি চাকরীতে যোগদান করেননি। তিনি কলারোয়া কলেজকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। তিনি তাতে সফলও হয়েছিলেন। আজ দেশ সহ সারা বিশ্বে উনার অগনিত ছাত্র/ছাত্রী উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে আলো ছড়াচ্ছেন।তার হাতে গড়া অসংখ্য চিকিৎসক,ইনঞ্জিনিয়ার,বৈজ্ঞানিক, ডক্টর সহ বিভিন্ন পেশায় দেশ বিদেশে ছাড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন।
রবিবার ১৪ ডিসেম্বর সকালে কলারোয়া আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে প্রথম নামাযে যানাজায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তালা -কলারোয়ার সংসদ সদস্য প্রাথী অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ,কলারোয় উপজেলা বি এন পি নেতা প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু রকর সিদ্দিক,প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক,উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল,স্যারের জামাতা বিশিষ্ঠ চিকিৎসক ডাঃ ইউনুছ আলী, কলারোয়া কলেজ ময়দানে অনুষ্ঠিত ২য় নামাজে যানাজায় বক্তব্য রাখেন কলারোয়া সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু নসর,প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু রকর সিদ্দিক,প্রফেসর আব্দুল মজিদ,কলারোয়া সরকারি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপ্যাল প্রফেসর আব্দুর রহমান,কলারোয়া পৌরসভার প্রাক্তন মেয়র আক্তারুজ্জামান,কয়লা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রকিব প্রমূখ।
বক্তাগণ তাদের বক্তৃতায় আরো বলেন,তিনি ছিলেন একজন সাদা মনের মানুষ। ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য তিনি ছিলেন নিবেদিত প্রাণ।ছাত্র/ছাত্রীদের শুধু ফ্রি পড়াতেন না তাদেরকে বাড়িতে নিয়মিত খাওয়া দাওয়া করাতেন। সাতক্ষীরা জেলার উচ্চ শিক্ষার বাতি ঘর কলারোয়া সরকারী কলেজকে গড়ে তুলেছিলেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের একটি সেরা প্রতিষ্ঠান হিসাবে।
কলারোয়ার কিংবন্দন্তি শিক্ষক শনিবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার একটি বে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অসবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন।(ইন্না লিল্লাহি অ-ইন্নালিল্লাহি রাজিউন)। তিনি বেশ কিছুদিন বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন।
বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক তালা -কলারোয়া এমপি পদপ্রার্থী সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোখ সন্তাপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
দুপুর ২ টায় তার নিজ গ্রাম কলারোয়া উপজেলার সুলতানপুর গ্রামে ৩য় যানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি ২ পুত্র,২ কন্যা স্ত্রী সহ অসংখ গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

















