শনিবার , ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | ১৪ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. আশাশুনি
  4. ইসলাম ও জীবন
  5. কলারোয়া
  6. কালিগঞ্জ
  7. খুলনা
  8. খেলাধুলা
  9. জাতীয়
  10. তালা
  11. দেবহাটা
  12. পাটকেলঘাটা
  13. ফিচার
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন।

কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট

প্রতিবেদক
Ekramul Kabir
এপ্রিল ১৮, ২০২৬ ১১:০০ পূর্বাহ্ণ

সময় ডেস্ক :: বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট শুরু হয়েছে প্রায় দুই মাস আগে। দোকানগুলোতে আগে বিভিন্ন অপরিচিত ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল দেখা গেলেও এখন চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। আর পরিচিত ব্র্যান্ডের তেলও চাহিদা অনুযায়ী খুবই সামান্য মিলছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে অধিকাংশ দোকানিই তাদের পছন্দের ও পরিচিত ক্রেতাদের ধরে রাখতে লুকিয়ে বিক্রি করছেন বোতলজাত সয়াবিন। অপরিচিত কাস্টমারদের কোনো কোনো দোকানি অল্প বোতলজাত সয়াবিন থাকা সত্ত্বেও স্পষ্ট জানিয়ে দিচ্ছেন তেল নেই। এই সুযোগে অবশ্য বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে খোলা সয়াবিন তেল।

ঈদুল ফিতরের আগেই বাজারে খোলা তেলের কেজি ২০০ টাকা ছাড়িয়েছিল। ঈদের পর গত কয়েক দিনে সেটি আরও বেড়ে বিভিন্ন বাজারে ন্যূনতম ২১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও ২২০ টাকা পর্যন্ত কেজি দরে বিক্রি হতেও দেখা গেছে। আর বোতলজাত তেল আগের দামে ১৯৫ টাকায় প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে। তবে পছন্দের ব্র্যান্ডের বোতলজাত সয়াবিন খুঁজে পাওয়া এখন সৌভাগ্যের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, অনেক দোকানেই বোতলজাত সয়াবিন তেল নেই। এই চিত্র অবশ্য দুই-এক দিনের নয়; ঈদুল ফিতরের আগে থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের দোকানগুলোতে সয়াবিন তেলের সরবরাহে চরম সংকট দেখা যায়। এমনকি সুপারশপগুলো থেকেও একপর্যায়ে বোতলজাত সয়াবিন তেল উধাও হয়ে যায়। এখনও মাঝে মাঝে সুপারশপগুলোতে বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। আজ অবশ্য ঢাকার মুগদা, মানিকনগর, মতিঝিল, খিলগাঁও এলাকার ‘স্বপ্ন’, ‘ডেইলি শপিং’ এবং স্থানীয় কয়েকটি সুপারশপে অল্প পরিমাণ বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মহল্লার মুদি দোকানের বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা মতো তেল দিচ্ছে না ডিলাররা। অনেক ক্ষেত্রে তেল চাইলে মানতে হচ্ছে তাদের শর্ত। কখনো কখনো তেলের সঙ্গে কোম্পানির অন্যান্য পণ্য ক্রয়ের শর্তে অল্প পরিমাণ তেল মিলছে। আগের মতো বাকিতেও পাওয়া যাচ্ছে না তেল। কেউ আবার ফোনে অর্ডার নিলেও দোকান পর্যন্ত তেল পৌঁছে দিচ্ছেন না। ডিলার পয়েন্ট থেকে তেল আনতে বাড়তি পরিবহন খরচ হচ্ছে। ডিলার কমিশনও কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এমন নানামুখী ভোগান্তির পর বোতলজাত সয়াবিন এনে আগের মতো লাভ থাকছে না তাদের। এতে বোতলজাত সয়াবিন সংগ্রহে আগ্রহ হারাচ্ছেন তারা।

মানিকনগর বাজারের বিক্রেতা আসলাম শেখ জানান, তারা গত সপ্তাহে ফ্রেশ ব্র্যান্ডের অল্প কিছু বোতলজাত সয়াবিন তেল সংগ্রহ করেছে। খোলা তেলের দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই এখন বোতলজাত সয়াবিন তেল নিতে চায়। কিন্তু, সবাইকে বোতলজাত সয়াবিন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যারা তাদের পুরোনো ক্রেতা রয়েছেন, তাদের ধরে রাখতে কিছু তেল লুকিয়ে রেখে বিক্রি করছেন।

এদিকে বাজারে অধিকাংশ দোকানেই খোলা সয়াবিন তেল প্রতি কেজি ২১০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কোনো কোনো দোকানে ২২০ টাকায় এক কেজি খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে। খোলা পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা কেজি দরে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

আশাশুনিতে ক্ষতিগ্রস্ত নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবা প্রাপ্তিতে মতবিনিময় সভা

আলিপুর ইউনিয়নে জামায়াতের নির্বাচনী পথ সভা অনুষ্ঠিত

কয়রায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুকি হ্রাসে আগাম সর্তকবার্তা প্রচারের বিষয়ে সভা

স্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে গ্রাম ডাক্তারদের সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

দেশজুড়ে বিদ্যার দেবীর আরাধনার, জগন্নাথ হলে ৭৬ মণ্ডপে দেশের সর্ববৃহৎ সরস্বতী পূজা

ভারতে বাংলাদেশের খেলতে যাওয়া নিয়ে যা বললেন কপিল

জামায়াত-এনসিপি বাংলা ভাষা ও দেশ বিরোধী : মোমিন মেহেদী

কয়রায় বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে জেলা বিএনপির আহবায়কের জনসংযোগ

হিলি বন্দর বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৩০ টাকা

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে টেকসই অর্থায়নের আহ্বান : সাংবাদিক কর্মশালায় বক্তারা