সময় ডেস্ক: ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক হামলার হুমকিতে সামান্য নরম হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ হওয়ার আশ্বাস পাওয়ার পরই এই অবস্থান নিয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ফাঁসি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, তাকে জানানো হয়েছে যে ইরানে প্রাণঘাতী দমন বন্ধ হয়েছে এবং সম্ভাব্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা স্থগিত রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দেখব পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়।” ট্রাম্পের বক্তব্যে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি তার আগের কঠোর অবস্থান থেকে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত।
ইরানের পক্ষ থেকেও সতর্ক বার্তা এসেছে। আইআরজিসি প্রধান মোহাম্মদ পাকপুর বলেন, “শত্রুর যেকোনো ভুল হিসাবের জবাব দিতে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুত।” তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে চলমান বিক্ষোভের পেছনে দায়ী করেছেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাব অনুযায়ী, চলমান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছেছে। তবে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সংখ্যাটি অনেক কম দেখাচ্ছে। পাশাপাশি ইন্টারনেট পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, ইরানে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে আপাতত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা পুরোপুরি দূর হয়নি।
















