ডেস্ক নিউজ : সরকারি ভাবে নিশেধাজ্ঞা আছে জমিটিতে কোন ভাবেই দখলে নেওয়া যাবে না। একটি সাইন বোর্ডও সেখানে লাগানো হয়েছে। কিন্ত এসব কিছুর পরোয়া না করে জমিতে বিচলী গাঁদা দিয়ে অবৈধ দখল করার পায়তারা চালাচ্ছেন ইমান আলী সরদারের পুত্র আব্দুস সালাম।
ঘটনাটি কলারোয়া উপজেলাধীন কলারোয়া পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড তুলশীডাঙ্গা পশ্চিম পাড়ার।
কলারোয়া পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মৃত বিজি মাওলার পুত্র মেহেদি হাসান জানান, তার বসত বাড়ির পাশে জমিটি প্রায় দেড়’শো বছর ধরে তার বাপ দাদাদের ভোগ দখলে আছে। এটি তাদের পারিবারিক কবর স্থান হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এখানে তার পিতার দাদা মৃত পিয়ার সরদার,তার দাদা মৃত ইউসুপ সরদারের কবর আছে।
মেহেদি আরো জানান, জমিটি ১৯৪৫ সালে ১ নং খাস খতিয়ান ভুক্ত করা হয়। ১৯৯০ সালের রেকর্ডে জমিটি খাস খতিয়ান হিসাবে মৃত বি জি মাওলার দখলে আছে এই মর্মে রেকর্ড করা হয়। দীর্ঘ দিন জমিটি বি জি মাওলার দখলে থাক এটা তার চাচাতো ভাই ইমান আলী সরদার মেনে নিতে পারছিলেন না। সে কারনে তিনি ২০২৩ সালে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা জজ ১ম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত দীর্ঘ যাচাই বাচাই করে মামলাটি গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে খারিজ করে দেন এবং কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষে সরকারী সম্পত্তি মর্মে একটি সাইন বোর্ড টাঙ্গিয়ে দেওয়া হয়। এর পর আব্দুস সালাম আলোচিত জমিতে বিচলির গাঁদা দিয়ে দখল করার পায়তারা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ব্যপারে সালামের সাথে কথা বললে তিনি জানান,ওয়ারিশ সূত্রে ঐ জমির মালিক আমরা সবাই। বসত বাড়িতে তেমন কোন জায়গা নাই। সে কারনে আমি এ স্থানে বিচলী গাঁদা দিয়েছি।
এলাকাবাসীর পক্ষে মেহেদি হাসান আলোচিত ৩৬ শতাংশ জমিটি সরকারি কবরস্থানে রুপান্তরিত করার জন্য কলারোয়া উপজেলা ও জেলা প্রসাশনের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন। এছাড়া জমিটির একাংশ নিচু,ডোবায় পরিনত হয়েছে। বর্ষার সময় জলবদ্ধ হয়ে থাকে। স্থানটির চারিপাশে সীমানা প্রাচীর ও নিচু যায়গায় মাটি ভরাট করারও আহবান জানান।

















