সময় ডেস্ক :: প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশ ও ডিজিটাল যুগে তরুণ প্রজন্মকে সচেতন এবং দায়িত্বশীল ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি শিক্ষামূলক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৪ জানুয়ারি, শনিবার, হাতেখড়ি শিশু বিকাশ একাডেমির আয়োজনে এবং স্কুল অব লিডারশিপ (SOLE) ইউএসএ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কারিগরি সহযোগিতায় “মিশন অব শালোম” বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে “প্রযুক্তি ও ডিজিটাল নাগরিকত্ব” বিষয়ে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিশন অব শালোম ওফাপুরের পাষ্টর ও SOLE ইউএসএ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের খুলনা ডিভিশনাল ম্যানেজার অসীম মালাকার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাতেখড়ি শিশু বিকাশ একাডেমির পরিচালক কাজী শাহীন এবং মিশন অব শালোম ওফাপুরের সভাপতি আন্দ্রিয় বিশ্বাস।
কলারোয় ও আশেপাশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ৪০ জন শিক্ষার্থী এই কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা শুরুর আগে চারটি মূল বিষয়ের উপর বক্তারা তাদের বক্তব্য প্রদান করেন। বিষয়গুলো ছিল:মোবাইল ফোনের ইতিবাচক ও নৈতিক ব্যবহার,ডিজিটাল নাগরিকত্ব ও সাইবার নিরাপত্তা,সময় ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ভূমিকা ও সাম্প্রতিক বিশ্ব ও দেশের প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তির ব্যবহার।
বক্তৃতার আলোকে অংশগ্রহণকারীদের উপর বিষয়ভিত্তিক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। কুইজে বিজয়ী সাতজন মেধাবী শিক্ষার্থীকে পুরস্কার ও সকল অংশগ্রহণকারীকে অংশগ্রহণ সনদপত্র প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথি অসীম মালাকার তার বক্তব্যে বলেন, “প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে গতিশীল করেছে, কিন্তু এর অপব্যবহারও বাড়ছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, ডিজিটাল আইন ও নৈতিকতা সম্পর্কে শিক্ষিত করে তুলতে এই ধরনের কর্মসূচি অত্যন্ত প্রয়োজন।”
হাতেখড়ি শিশু বিকাশ একাডেমির পরিচালক কাজী শাহীন বলেন, “শিক্ষা শুধুমাত্র পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বর্তমান যুগে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দুনিয়ায় নিরাপদ ও দায়িত্বশীল হতে হবে। এই প্রতিযোগিতা তারই একটি ধাপ।”
মিশন অব শালোমের সভাপতি আন্দ্রিয় বিশ্বাস বলেন, “তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল সচেতনতা তৈরি করতে আমরা নিয়মিতভাবে এমন প্রোগ্রাম আয়োজন করে যাব।”
এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রযুক্তির সুস্থ ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং তাদেরকে ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য সামনে রেখে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
















